সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকের নিউজ ফিডে আসছে বড় ধরনের পরিবর্তন। আগামী সপ্তাহ থেকেই এ পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্স।
মার্ক জুকারবার্গ ফেসবুক পোস্টে জানান, এ পরিবর্তনের ফলে নিউজ ফিডে বিজ্ঞাপন, পণ্য ও সংবাদমাধ্যমের পোস্ট কম দেখা যাবে। বিজ্ঞাপনের বদলে বন্ধুদের স্ট্যাটাস, কমেন্ট ও ভিডিও বেশি দেখা যাবে নিউজ ফিডে।
ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন পরিবর্তনের ফলে নন-অ্যাডভারটাইজিং পোস্ট যেমন খবর এবং ভাইরাল ভিডিও নিউজ ফিডে কম দেখা যাবে, তবে টাকার বিনিময়ে দেয়া বিজ্ঞাপন আগের মতোই দেখা যাবে।
জুকারবার্গ আরও লিখেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকে বন্ধু ও পরিবারের পোস্টের চেয়ে বিজ্ঞাপনমূলক পোস্ট বেশি দেখা যায়। এর ফলে ব্যবহারকারীরা কিছুটা বিরক্ত। তাই ব্যবহারকারীদের ফেসবুকের সময়টা উপভোগ্য করতে আমরা নতুন এ পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছি। আশা করি বন্ধু ও পরিবারের জন্য ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো আরও সুন্দর হবে।
নতুন এ পরিবর্তনের অ্যালগরিদমগুলো বিভ্রান্তিকর সংবাদ এবং ভুল তথ্যের প্রচার ঠেকাতে আরও বেশি কার্যকর বলে জানানো হয়।
বিশ্বকে অবাক করে প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে চীন। এর প্রভাব পড়েছে সামরিক বাহিনীতেও। আর তারই জের ধরে এবার দেশটির হয়ে সীমান্ত প্রহরা কিংবা শক্রুপক্ষের সঙ্গে সম্মুখ লড়াইয়ে থাকবে রোবট। যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এমনই অত্যাধুনিক তিনটি রোবট প্রকাশ্যে আনল চীন।
অত্যাধুনিক এই রোবটগুলো বেইজিংয়ে চলা রোবট সামিটে প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। এ ব্যাপারে রোবট প্রস্তুতকারী সংস্থার দাবি, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেই হোক কিংবা শত্রুপক্ষ দমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে এই রোবটগুলো।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধের ফ্রন্ট লাইনে এই রোবটগুলো যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে রাইফেল এবং গ্রেনেড লঞ্চার পৌঁছে দিতে সক্ষম। এছাড়াও, এ সব রোবট যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে কাজ করতে পারবে। এ সব রোবটের একটিকে নজরদারির কাজে নিয়োগ করা যাবে। এটি বিষাক্ত গ্যাস, ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান বা বিস্ফোরক শনাক্ত করতে পারবে।
এ ছাড়া, নজরদারি চালিয়ে পাওয়া এ সব তথ্য ফ্রন্ট লাইনের সেনাদেরকেও জানিয়ে দিতে পারবে এই রোবটগুলো। নজরদারি চালানোর সময় কোনো ভুল হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পাঠানো হবে অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল বা ইওডি নামের রোবটকে। ইওডি’র ওজন ১২ কেজি এবং ব্যাকপ্যাক বহন করতে পারে এটি।
এটিকে তৈরি করা হয়েছে কোনো সেনা যখন একক অভিযান বা সোলো মিশনে যাবে তখন তাকে সহায়তার জন্য। পরিস্থিতি যদি বিপদজনক দিকে মোড় নেয়, তাহলে হামলার কাজে ব্যবহৃত রোবট বা অ্যাটাক রোবটটিকে নামানো হবে। হালকা অস্ত্র, রাইফেল এবং গ্রেনেড সজ্জিত এ রোবট বিপজ্জনক পরিস্থিতি সামাল দেবে। দূরবীন দিয়ে এ রোবট পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে এবং দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারবে।
এই তিন রোবটের দাম পড়বে প্রায় (২,৩৫,৬০০ ডলার) দুই লক্ষ্য ৩৫ হাজার ডলার।
বিশ্বের অনেক জায়গাতেই 4G-র গণ্ডী ছাড়িয়ে 5G পরিষেবা শুরু হয়ে গেছে। তবে শোনা যাচ্ছে এবার 5G নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। 5G ইন্টারনেটবাহী ড্রোনও ওড়ানো হবে বলে জানা গেছে। নিউ মেক্সিকোতে গোপনে সেই প্রজেক্টের কাজ চলছে। এই প্রজেক্টের কোড নেম স্কাইবেন্ডার। গুগলের প্রজেক্ট ম্যানেজার ও স্পেশক্রাফট আমেরিকার মধ্যে এ নিয়ে চুক্তিও হয়েছে।
স্কাইবেন্ডার হল গুগলের অ্যাকসেস টিমের একটি প্রজেক্ট। এর মধ্যে রয়েছে গুগলের প্রজেক্ট লুনও। ধারনা করা হচ্ছে হাই স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারী সৌরশক্তিচালিত কয়েক হাজার ড্রোন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ওড়ানো হবে। বর্তমান 4G -র থেকে ৪০ গুন বেশি স্পিড থাকবে সেই ড্রোনে।
এছাড়া সাপোর্টিভ এয়ারক্রাফট তৈরি করেও পরীক্ষা চালাচ্ছে গুগল। জানা গেছে, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে ভেসে বেড়ানো ড্রোন থেকে ইন্টারনেট দেওয়ার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আর স্কাইবেন্ডারের কথা এখনও অফিসিয়ালি জানায়নি সংস্থা। তবে যদি স্কাইবেন্ডার সত্যিই সম্ভব হয় তাহলে ওয়্যারলেস 5G পরিষেবা আর স্বপ্ন থাকবে না বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভিনগ্রহীদের (এলিয়ন) লুকিয়ে রাখছে বলে অভিযোগ করেছে ইউএফও (ভিনগ্রহী যান) বিশ্বাসীরা। সোমবার এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।
খবরে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দল সুরক্ষা-১০ এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাসার এক নভোচারী মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করার সময় একটি ‘রসহস্যময়’ আলো ধরা পড়ে। কিন্তু ওই নভোচারী তখন ক্যামেরার সামনে হাত দিয়ে তা গোপন করার চেষ্টা করেন।
ইউএফও বিশ্বাসী দলের অভিযোগ, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এলিয়েনদের তথ্য-প্রমাণ গোপন করছে।
তাদের অভিযোগ, যখন উজ্জ্বল আলোটি দেখা যায়, তখন ওই নভোচারী ক্যামেরার সামনে তার হাত দিয়ে তা গোপন করেন। একই ধরনের আরো একটি ঘটনা লুকানো হয়েছে। যখন দেখা যায়, একটি আলো পৃথিবী অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই ওই নভোচারী নিজের হাতে ক্যামেরার ঢাকনা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, ভিডিও আপলোডের পর এক মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘সেখানে অবিশ্বাস্য কিছু ক্লিপস রয়েছে, যা এর আগে আমি কখনোই দেখিনি। কীভাবে একজন এমন দৃশ্য ঢেকে রাখতে পারে?’
নাসার ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী কোল্ড পাইরোর আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা আলোর কণিকা অন্ধকার থেকে পৃথিবীর দিকে আসছে। নাসার অফিশিয়াল চ্যানেল দেখতে পায় যে, ইউএফওটি ক্যামেরার ফ্রেমের মধ্যে চলে আসছে তখন দ্রুত এটি কাট করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ভিনগ্রহীদের (এলিয়ন) লুকিয়ে রাখছে বলে অভিযোগ করেছে ইউএফও (ভিনগ্রহী যান) বিশ্বাসীরা। সোমবার এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।
খবরে বলা হয়েছে, ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দল সুরক্ষা-১০ এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নাসার এক নভোচারী মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করার সময় একটি ‘রসহস্যময়’ আলো ধরা পড়ে। কিন্তু ওই নভোচারী তখন ক্যামেরার সামনে হাত দিয়ে তা গোপন করার চেষ্টা করেন।
ইউএফও বিশ্বাসী দলের অভিযোগ, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এলিয়েনদের তথ্য-প্রমাণ গোপন করছে।
তাদের অভিযোগ, যখন উজ্জ্বল আলোটি দেখা যায়, তখন ওই নভোচারী ক্যামেরার সামনে তার হাত দিয়ে তা গোপন করেন। একই ধরনের আরো একটি ঘটনা লুকানো হয়েছে। যখন দেখা যায়, একটি আলো পৃথিবী অতিক্রম করছিল, ঠিক তখনই ওই নভোচারী নিজের হাতে ক্যামেরার ঢাকনা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, ভিডিও আপলোডের পর এক মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘সেখানে অবিশ্বাস্য কিছু ক্লিপস রয়েছে, যা এর আগে আমি কখনোই দেখিনি। কীভাবে একজন এমন দৃশ্য ঢেকে রাখতে পারে?’
নাসার ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহারকারী কোল্ড পাইরোর আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সাদা আলোর কণিকা অন্ধকার থেকে পৃথিবীর দিকে আসছে। নাসার অফিশিয়াল চ্যানেল দেখতে পায় যে, ইউএফওটি ক্যামেরার ফ্রেমের মধ্যে চলে আসছে তখন দ্রুত এটি কাট করা হয়।
আলবার্ট আইনস্টাইনের সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। উনাকে নিয়ে মানুষ এখন গবেষণা করে পিএইডডি ডিগ্রি অর্জন করছে। আলবার্ট আইনস্টাইন জামার্নিতে ১৮৭৯ সালের ১৪ই মার্চে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ছিলেন একজন থিউরিটিক্যাল ফিজিক্স। তার জীবনের সবচেয়ে বড় থিউরিটি হলো Theory of Relativity যেটা মর্ডান ফিজিক্সের দুটি মূল ভিক্তির মধ্যে একটি। এছাড়াও তার কাজগুলোকে বর্তমান যুগের ফিলোসফি অফ সাইয়েন্স বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি তার E = mc2 ফমুর্লার জন্য জনপ্রিয়ভাবে পরিচিত। তিনি ১৯২১ সালে ফিজিক্সে নোবেল পুরস্কার পেয়ে ছিলেন। আইনস্টাইন তার জীবনে প্রায় ৩০০টির বেশি সাইন্টেফিক পেপার এবং ১৫০টির বেশি নন-সাইন্টেফিক পেপার পাবলিশ করে গিয়েছেন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিউক্লিয়ার অস্ত্রের ক্ষতির উপর গবেষণারত ছিলেন। তিনি ১৯৫৫ সালের ১৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।
১) তিনি ছিলেন একজন এভারেজ স্টুডেন্ট!
বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন ছাত্রজীবনে অনান্য সাধারণ ছাত্রদের মতোই ছিলেন। তখন তার বিশেষত্ব বলে কিছু ছিলো না। এভারেজ মানে সাধারণ! তিনি তার স্কুল এবং কলেজ লাইফের সকল সাবজেক্টে সাধারণ ছাত্রদের মতোই ছিলেন কিন্তু একটি সাবজেক্টে ছিলেন সবার সেরা! আর সেটা হলো ম্যাথমেটিকস! তবে অনান্য বিষয়ে তিনি ফেইল করেছিলেন এইরকম গুজব শোনা যায় তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায় নি।
২) মিউজিশিয়ান!
আলবার্ট আইনস্টাইন একজন দক্ষ ফিজিক্সটের পাশাপাশি ছিলেন একজন টেলেন্টেড মিউজিশিয়ানও! কারণ তার মা ছিলেন একজন দক্ষ ও প্রফেশনাল পিয়ানো বাদক তাই তিনিও মায়ের পথ ধরেই মিউজিকের প্রতি দক্ষতা এসে যায়। বলা হয়ে থাকে যে বিজ্ঞানী জীবন যদি তাকে গ্রহন না করতো তাহলে তিনি একজন মিউজিশিয়ানের ক্যারিয়্যার বেছে নিতেন! বিশেষ করে পিয়ানো বাজক হিসেবে আমরা আজ আইনস্টাইনকে দেখতে পেতাম!
৩) তিনি ২ বার বিয়ে করেছিলেন!
আইনস্টাইনের একটি বিশেষ দুবর্লতা ছিলো মহিলাদের উপর। আইনস্টাইন ২ বার বিয়ে করেছিলেন। এছাড়াও তিনি প্রায় ৬ জন মহিলার সাথে ভালোবাসতেন! তিনি একজন ফিজিক্স মহিলাকে ১৯০৩ সালে বিয়ে করেন, তার প্রথম বিয়ে ছিলো এটি। ১৯১২ সাল থেকে তিনি তার কাজিনের সাথে রোমান্স করে আসছিলেন। এবং ১৯১৯ সালে তিনি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার কাজিনের সাথে বিয়ের পিড়িতে বসেছিলেন। তার দ্বিতীয় বিয়ে। তবে তার কোনো ছেলে বা মেয়ে এখন দুনিয়াতে জীবিত নেই।
৪) নাজায়েজ পিতা!
আইনস্টাইনের মহিলা প্রীতি তাকে একজন নাজায়েজ পিতাও বানিয়েছিলো। তিনি একটি অবৈধ সন্তানের পিতাও ছিলেন। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত আইনস্টাইনের এই বিষয়টি পাবলিকের কাছ থেকে গোপন করে রাখা হয়েছিলো। ১৯০২ সালের প্রথম বিয়ের আগেই তার একটি অবৈধ কন্যা সন্তান ছিলো। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার অবৈধ মেয়েটির কোনো খবর পাওয়া যায় নি।
৫) ১ মিলিয়ন!
আইনস্টাইনের নেট মূল্য ছিলো ১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৯৫৫ সালে তার মৃত্যুর সময় তিনি এই পরিমান নেট মূল্যের মালিক ছিলেন। যেটি বর্তমান যুগের প্রায় ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্য হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এখন আপনার কাছে এক লাখ মার্কিন ডলার কমই মনে হতে পারে একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানীর জন্য। কিন্তু তখনকার সময়ে এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে আইনস্টাইন রাজার মতো তার পরবর্তী জীবনযাপন করতে পারতেন এবং তার ভবিষ্যৎতের সকল এক্সপেরিমেন্ট এর জন্য আর্থিক ভাবে কোনো সমস্যায় পড়তেন না।
৬) নোবেল পুরস্কার!
তিনি নোবলে পুরস্কার জিতে নেবার আগেই তার এই পুরস্কারের প্রাইজ মানি তার স্ত্রীকে দিয়ে দেবার জন্য অঙ্গিকার করেছিলেন! তার প্রথম স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের সময় আইনস্টাইন তার নোবেল পুরস্কারের অর্থটি তার স্ত্রীকে দিয়ে দেবার জন্য অঙ্গীকার করেছিলেন। তবে মজার ব্যাপার হলো এই অঙ্গীকারের আরো ২ বছর পর তিনি নোবলে পুরস্কার জিতে নেন। এবং নোবেল পুরস্কারের অর্থটি তিনি তার প্রথম স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছিলে।
৭) ফিজিক্সের উপর নোবেল।
আইনস্টাইন ১৯২১ সালে ফিজিক্সের উপর নোবেল পুরস্কার জিতে নেন। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন তিনি রিলেটেশনের উপর তার থিউরির জন্য নোবেল পুরস্কার পাবেন। বরং তিনি তার ফটো ইলেক্ট্রিক ইফেক্টের উপর নোবেল পুরস্কার পান।
৮) স্ত্রীর সহযোগীতা!
তিনি তার বিখ্যাত Theory of Relativity বানাতে গিয়ে তার স্ত্রীর সহযোগীতা নিয়েছিলেন বলে প্রমাণস্বরুপ ডকুমেন্টারি পাওয়া গিয়েছে। যদি এটার সত্যিই হয়ে থাকে তাহলে তার স্ত্রীকে নোবেল প্রাইজ মানি দিয়ে দেবার কারণটাও আমাদের কাছে আরো পরিস্কার হয়ে উঠে। আমি টিউনে আগেই বলেছিলাম যে তার প্রথম স্ত্রীও একজন ফিজিক্স বিজ্ঞানী ছিলেন।
৯) সিটিজেনশীপ!
আলবার্ট আইনস্টাইন তার জীবনে দুবার তার সিটিজেনশীপ পরিবর্তন করেছিলেন। তিনি জার্মানিতে জন্মগ্রহন করেন এবং ১৯১৬ সালে সুইজারল্যান্ডে চলে আসেন। এবং পরবর্তীতে হিটলার পাওয়ারে চলে আসায় তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি আর জার্মানিতে ফিরে যেতে পারবেন না। তাই ১৯৪০ সালে তিনি আমেরিকান সিটিজেনশীপ নিয়ে নেন।
১০) নিউ ইর্য়ক কানেক্টশন!
তিনি তার জীবনে নিউ ইর্য়কের বড় বড় নেতা এবং মানুষদের সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিলো। তিনি প্রথম যখন নিউ ইর্য়কে আসেন তখন উক্ত সময়ের নিউইয়র্ক মেয়র তাকে ঘটা করে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন। এমনকি তার মৃত্যুর পর নিউইয়র্কে তার নামে একটি মেডিক্যাল করে খোলা হয়েছিল।
১১) তিনি বড় ব্রেইনের অধিকারী ছিলেন!
আইনস্টাইন খুব মেধাবী ছিলেন কিন্তু অফিসিয়ালী তার ব্রেইনের আকারটাও বড় ছিলো! শুনতে হাস্যকর হলেও এটি সত্যি! সাধারণ মানুষের ব্রেইনের থেকে আইনস্টাইনের ব্রেইন প্রায় ১৫% বড় ছিলো! তাই এখন আমরা বলতে পারি যে মাথা মোটা মানেই যে বলদ না!
১২) ব্রেইনের ভিজিট!
আপনি চাইলে এখনো আইনস্টাইনের ব্রেইনের সাথে দেখা করে আসতে পারেন। বর্তমান যুগের বিজ্ঞানীদের এবং কৌতুহলি সাধারণ জনতা চাইলেই আইনস্টাইনের ব্রেইনের দর্শন পেতে পারেন। আমেরিকার একটি জাদুঘরে তার ব্রেইনের কয়েকটি অংশ আপনি খুঁজে পাবেন। কারণ তার মৃত্যুর পর টিউনমর্টেমে তার ব্রেইনকে অনেকগুলো ভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল।
১৩) বিশাল লাইব্রেরি!
তিনি ছিলেন একজন ছিমছাম মানুষ! তার কাজগুলোকে তিনি লাইব্রেরিতে গুছিয়ে রাখতেন। এমনি করে তার লাইব্রেরির সংখ্যা বিশাল হয়ে গিয়েছিল। ২০১৪ সালের এক গবেষণায় জানা গিয়েছে যে তিনি প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ডকুমেন্টের অধিকারী ছিলেন!
১৪) পরমাণূ বোম্ব!
আইনস্টাইন পরমাণূ বোমার বিরুদ্ধে ছিলেন। অনেকেই আইনস্টাইনকে নিউক্লিয়ার বোমার প্রস্তুতকারক হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন কিন্তু বাস্বতে তিনি পরমাণু অস্ত্রের ঘোর বিরুদ্ধে ছিলেন। কারণ পরমানু বোমার সাইড ইফেক্ট সম্পর্কে তিনি জানতেন। তাই মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি পরমাণূ বোমার বিরুদ্ধে ছিলেন এবং অবস্থান করে গেছেন।
১৫) ইসরাইল প্রেসিডেন্ট!
তিনি চাইলেই ইসরাইল প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন! ইসরাইলের প্রথম প্রেসিডেন্ট মারা যাবার পর ১৯৫২ সালে ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের পদটি আইনস্টাইনে প্রস্তাবিত করা হয়েছিল। কারণ সাবেক প্রেসিডেন্ট মারা যাবার আগে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আইনস্টাইনকে প্রস্তাবিত করে গিয়েছিলেন। কিন্তু আইনস্টাইন এই পদের জন্য নিজেকে অযোগ্য মনে করে প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তো এই হলো আইনস্টাইন সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য! তবে টিউনটি শেষ করবার আগে আরেকটি মজাদার তথ্য দিতে চাই আপনাদেরকে! আইনস্টাইন তার জীবনে কখনোই মোজা পরেননি এবং তিনি চুল কাটতে অপছন্দ করতেন! একবার বিষয়টা ভাবুন!
সরকারের পক্ষ থেকে নতুন বছরের উপহার হিসেবে জানুয়ারি থেকে ফোরজি সেবা চালু হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। বুধবার সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
তারানা হালিম বলেন, জানুয়ারিতে ফোরজি সুবিধা চালু হলে গ্রাহকরা ২০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন। সার্বিকভাবে ফোরজিতে সেবারমান উন্নত হবে। থ্রি-জি এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভুলত্রু টি দূর করার চেষ্টা করা হবে বলেও মন্ত্রী জানান।
বিমানের জ্বালানি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের জ্বালানি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিমানে জ্বালানি হিসেবে মূলত অ্যাভিয়েশন টার্বাইন ফুয়েল (এটিএফ) বহুল ব্যবহৃত। সময়ের চাহিদা মেটাতে বিজ্ঞানীরা জেট ফুয়েলের পাশাপাশি বায়োফুয়েল কিংবা গ্যাস-টু-লিকুইডের (জিটিএল) মতো জ্বালানি নিয়েও অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। নিরাপদ বিমান পরিচালনার জন্য আদর্শ জ্বালানি হিসেবে এতদিন হাইড্রোজেন জ্বালানি সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসলেও ভবিষ্যতে হাইড্রোজেন জ্বালানির জায়গা দখল করে নিতে পারে বিদ্যুৎ ভিত্তিক জ্বালানি।
বিমান সংস্থার সাথে জড়িত অনেকের মতে, হাইড্রোজেন জ্বালানি ভবিষ্যতে বিমানের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পারবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা কমে আসার সাথে সাথে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন তেল পরবর্তী সময়ের জ্বালানির প্রধান বিকল্প হিসেবে বিদ্যুৎ শক্তির কথা চিন্তা-ভাবনা করছেন।
মূলত পরিবেশ বান্ধব সবুজ জ্বালানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্যই সবার আগে ভাবা হচ্ছে বিদ্যুতের কথা। এর ফলে কার্বন নিরসন অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। ইতিমধ্যে অনেক দেশ গাড়ির জ্বালানি হিসেবে বিদ্যুৎ শক্তিকে জ্বালানি হিসেবে বাধ্যতামূলক করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিমানের জ্বালানি হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হতে পারে বিদ্যুৎ শক্তিকে।
তবে এটি বলা যতোটা সহজ করাটা তার থেকে হাজার গুন কঠিন। তবে এই কঠিন চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করতে এগিয়ে এসেছে বেশ কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকায় সবার আগে রয়েছে ইউরোপিয়ান বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। বিদ্যুৎ নির্ভর বিমান জ্বালানি ব্যবস্থার লক্ষ্যে জার্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিমেন্সের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে এয়ারবাস।
সিমেন্সের বিদ্যুৎ ভিত্তিক বিমান গবেষণা প্রোগামও কিনেছে এয়ারবাস। ২০১৫ সালে ই-ফ্যান লাইট এয়ারক্রাফট ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দারুণ এক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে এয়ারবাস। সেই সাফল্যের পরে এখন দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বিমানের জন্যও বিদ্যুৎ ভিত্তিক জ্বালানি ব্যবহারের চিন্তাভাবনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে নতুন জ্বালানির নির্ভর জ্বালানির ক্ষেত্রে এয়ারবাসের সব থেকে বড় সাফল্য ‘ভাহানা’। দুটি প্রোপেলার এবং চারটি ইঞ্জিন থাকবে ভাহানায়। আর এর সব কিছুই চলবে বিদ্যুৎ শক্তিতে। এই নভেম্বরেই ভাহানা টিম ঘোষণা দিয়েছে খুব শিগগিরই পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত তারা।
একই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সিটি এয়ারবাস, যারা ২০১৮ সালেই নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করার ঘোষণা দিয়েছে। সিটি এয়ারবাসের এই বিশেষ বিমানে এক সাথে চার জন যাত্রী পরিবহনেরও সুযোগ থাকবে বলে জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে। এই দৌড়ে আরো রয়েছে ইসরাইলভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এভিয়েশন এয়ারক্র্যাফট, নাসা এক্স-৫৭ ম্যাক্সওয়েল এবং পিপিসট্রেল আলফা ইলেকট্রো। এদের বেশিরভাগই আগামী বছরের মধ্যে বিমানের জ্বালানিতে বিদ্যুৎ শক্তিকে কাজে লাগানোর ঘোষণা দিয়েছে।-সিএনএন
Deep Web/Dark Web হল ইন্টারনেটের অদৃশ্য অংশ। সহজ ভাবে বলতে গেলে, Dark Web হল ইন্টারনেটের একটা অংশ যা কিনা search engine এ সূচীব্ধ করা হয় নি।
"Dark Web অনেক তথ্য নিয়ে তৈরী এবং যা প্রযুক্তিগত কারণের জন্য যা সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা cataloged বা আপডেট করা যায় না," বলেছেন Alfonso এ Kejaya Muñoz, McAfee নিরাপত্তা গবেষক। গবেষণায় দেখা গেছে Deep Web ইন্টারনেটের 90% প্রতিনিধিত্ব করে।
"Deep Web 1994 সালে শুরু হয় এবং 'Hidden Web" হিসাবে পরিচিত ছিল। এটি 2001 সালে 'Deep Web' নামকরণ করা হয়, "বলেছেন Kejaya Muñoz. Tor (short for The Onion Router) হল Deep Web এ যাওয়ার প্রধান ওয়েব পোর্টাল। এটি ব্যবহারকারীর তথ্যকে Encrypt করে এবংএকটি স্বেচ্ছাসেবক সার্ভারের মাধ্যমে সারা বিশ্বের নেটওয়ার্ক এ পাঠায়। এই পদ্ধতিতে এটি প্রায় অসম্ভব ব্যবহারকারীদের অথবা তাদের তথ্য ট্র্যাক করা।
How to connect with Deep Web?
Deep Web এ যাওয়া খুব বেশী কঠিনও না, আবার খুব সোজাও না! Dark Web এ জেতে হলে আপনার কিছু Technical এবং Web সনপর্কে ধারনা থাকতে হবে! আচ্ছা যাই হোক,Deep Web এ জেতে হলে আপনাকে আগে Tor Browser Download করতে হবে,যা আপনাকে Dark Web access করতে দিবে!
আপনি Tor যে কোন পিসিতে ব্যবহার করতে পারেন, Mac বা এমনকি আইফোন এবং অ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোনের যেকোন মোবাইল ডিভাইস. কিন্তু, যদি আমার মত, আপনি ফায়ারফক্স ব্যবহার করেন, তাহলে আপকে আগে Torbutton ইনস্টল করতে হবে। Torbutton ইনস্টল করার পর, আপনি আপনার ব্রাউজারের এড্রেস বারে কাছাকাছি পেঁয়াজের মত লোগো দেখতে পাবেন। যদি আপনি সঠিকভাবে Tor নেটওয়ার্কের লগইন করেন, তাহলে আপনি Deep Web অন্বেষণ করা শুরু করতে পারবেন।
কিন্তু, মনে রাখবেন, এখানে আপনি দৃশ্যমান web এর মত কোন কিছু খুজে পাবেন না, কারণ এখানে Google-এর মত কোন সার্চ ইঞ্জিন নেই যে আপনি মুহুর্তের মধ্যে সব কিছু খুজে পাবেন। পরিবর্তে, এটা Wikis এবং BBS-এর মত aggregatet link যা আপনাকে Deep Web-এর location দেখাবে। এই সাইটগুলি সাধারণত উদ্ভট এবং Unmemorable!
যেমনঃ SdddEEDOHIIDdddgmomionw.onion
Deep Web এর domain গুলো .com এর পরিবর্তে .onion হয়। এই link গুলো উদ্ভট হওয়ায় আপনি এখানে উল্লেখযোগ্য সময় কাটালে আপনি কোন link থেকে কোথায় এসেছেন, তা আর মনে রাখতে পারবেন না। এর জন্য আপনাকে URL গুলি সংরক্ষণ করুন, এই যাত্রায় আপনার উপায় বুকমার্ক।
ডিপ ওয়েবে কি আপনি খুঁজে পেতে পারেন?
অনেক ব্যবহারকারী ইতিমধ্যে ইন্টারনেট অন্ধকার পার্শ্ব-এর সাথে পরিচিত! কিভাবে অবৈধ সঙ্গীত ডাউনলোড, যেখানে বিনামূল্যে সর্বশেষ সিনেমা দেখা, বা কিভাবে অল্প অর্থের বিনিময়ে অতিরিক্ত Drugs অর্ডার দেয়া যায়। But the Deep Web goes farther, almost unimaginably farther. এছাড়া শিশু পর্নোগ্রাফি, অস্ত্র পাচার, মাদক দ্রব্য, ভাড়া হত্যাকারীরা, prostitutes, সন্ত্রাসবাদ, ইত্যাদি সব Deep Web-কে সব চেয়ে বড় Black Market-এ পরিনত করেছে। "Deep Web সাইটে আপনি চুরি করা ক্রেডিট কার্ড বিক্রয়, এমন দল আছে,যারা এটিএম এর মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড ক্লোন করা, কোকেন বিক্রি এবং এসব আরো জানতে পারেন," বলেছেন দিমিত্রি Bestuzhev, বিশ্লেষক Kaspersky এর ল্যাব দলের পরিচালক।
এমন একটি জনপ্রিয় Black Market হলো " Silk Road"!
Silk Road Deep Web-এ জনপ্রিয় মাদক দ্রব্য কেনা-বেচায়! পরমানন্দ থেকে, খাঁটি MDMA, গাঁজা, psychedelics opiates যাও এবং বীজ, তারা মূলত একটি userbase-এ Drug sale করে। তারা ফাটান, সালফিউরিক অ্যাসিড এবং তরল পারদ, চোরাই ক্রেডিট কার্ডের জন্য 'অর্থ', ভ্রমণকারীরা চেক এবং নকল বিল এবং কয়েন, আকাটা পাথরের মত 'জুয়েলারী',ভালো 'ল্যাব সরবরাহ', এসব কিছুর জন্য বিভাগ আছে। চুরির স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু এবং অবশেষে 'অস্ত্র', যেখানে তারা বর্তমানে কানাডা বিক্রয়ের জন্য একটি Glock 17 weapon, that “includes 1 clip with 9 live rounds.”
Additional items in the ‘marijuana’ category on The Silk Road:
Forum posts like this are common (and often answered) and even include requests for murder:
(দ্রষ্টব্য: এটি সিল্ক রোড থেকে হয় না, কিন্তু একটি জনপ্রিয় ডিপ ওয়েবের মেসেজ বোর্ড)
Deep Web-এর সর্বাধিক লেনদেন সাধারণত Bitcoins মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে থাকে। আপনি এই ডিজিটাল মুদ্রা দিয়ে সব কিনতে পারবেন। এমনকি আপনি Prostitute ও ভাড়া করতে পারবেন! তবে এখন পর্যন্ত, এ লেনদেন গুলো বেনামী হয়। 1 Bitcoin = $ 9 মার্কিন ডলার!
আপনাদেরকে একটি STRONG WARNING দিচ্ছি, আপনি কোন site visit করছেন বা কোন link-এ click করছেন, এ ব্যপারে careful থাকবেন। Wiki page গুলো সাধারণত safe site, কিন্তু যেসব জায়গায় "‘chan’ অথবা ‘bulletin board’ label করা থাকে, সেসব জায়গা হতে দূরে থাকবেন, becos most of them contain child pornography! Deep Web site গুলোর মধ্য কিছু আছে গ্যাং পরার্মশ দেয়, কোথাও কিভাবে বিস্ফোরন করতে হবে, কাউকে murder করা, মোট কথা illigel দুনিয়ার সব এখানে পাওয়া যায়।
কিন্তু সব Deep Web site আবার খারাপ না! যেমন WikiLeaks, এই site টি public এর সামনে আসার আগে Deep Web এই ছিল! Even এখনও কেউ যদি কোন inportent information WikiLeaks এ publish করতে চায়,তাহলে তা Deep Web এর মধ্যমে করা সম্ভব! আরেকটি উদাহরণ হল বেনামী গ্রুপ, যা Tor এর মাধ্যমে সব ধরণের প্রতিষ্ঠানের উপর ব্যাপক আক্রমণ সংগঠিত করে।
So, My journey though The New Underground, the Deep Dark Web, was interesting, to say the least. There’s a lot of potential for trouble down near the bottom of this iceberg, so always be aware of what you’re doing and the legality of your actions. Still, I have an unquenchable thirst for the unknown so by carefully maneuvering in a way that kept several meters and a snake pit between myself and the most vile content on the Deep Web, I was able to learn a bit about a facet of the Internet I had yet to discover. I’d encourage you to poke around a bit as well. But, remember, do so at your own risk. Be safe, watch what you click and refrain from purchasing anything along the way.
দেশে প্রথমবারের মতো একটি রেস্টুরেন্ট চালু হয়েছে যেখানে খাবার পরিবেশন করবে রোবট। রেস্টুরেন্টটিকে ‘রোবট রেস্টুরেন্ট’ বলা হচ্ছে।
খাবার অর্ডার করলে রোবটটি শেফের কাছ থেকে খাবার নিয়ে নির্দিষ্ট টেবিলে সেই খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে।
বুধবার রোবট রেস্টুরেন্টের খবর জানাতে এক সংবাদ সম্মেলন করে রেস্টুরেন্ট মালিকপক্ষ।
রোবট রেস্টুরেন্টটি রাজধানীর আসাদ গেটের ফ্যামিলি ওয়ার্ল্ড টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত। আর এটি যৌথভাবে পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ও চীনের রোবট প্রস্তুতকারী সংস্থা এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশে এটি প্রথম রেস্টুরেন্ট যেখানে রোবটের মাধ্যমে গ্রাহকদের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। উদ্যোগটিকে মাইলফল হিসেবে দেখেছেন রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ।
রেস্টুরেন্টটির পরিচালক রাহিন রাইয়ান নবী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করে ওয়েটাররা ক্লান্ত হয়ে যান। রোবট এক্ষেত্রে অনর্গল কাজ করতে পারবে। একই সঙ্গে জীবানুমুক্ত থাকতে পারবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রেস্টুরেন্টের কর্মকর্তারা, এছাড়াও এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাক্স সোয়াজ, কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজার তানভিরুল হক উপস্থিত ছিলেন।
অপো এফ ৫দেশের বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তিসুবিধার সেলফি এক্সপার্ট ফোন ‘অপো এফ৫’ আনছে অপো। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, ৮ নভেম্বর নতুন এ স্মার্টফোন দেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন তাঁরা।
অপো বাংলাদেশের তথ্যমতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এ সেলফি এক্সপার্ট স্মার্টফোন গ্রাহকদের সঠিক সেলফি অভিজ্ঞতা দেবে। বাংলাদেশে অপোর ক্রমবর্ধমান তরুণ গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে স্মার্টফোনটির নকশা করা হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে এবারই প্রথম এআই প্রযুক্তিসংবলিত সেলফি ফোন নিয়ে আসছে অপো।
ডিভাইসটির ফ্রন্ট ক্যামেরায় এআই বিউটি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সেলফি শটকে আকর্ষণীয় করতে ম্যাসিভ গ্লোবাল ফটো ডেটাবেইস থেকে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। ডিভাইসটিতে থাকছে অপোর প্রথম ফুলস্ক্রিন এফএইচডি প্লাস ডিসপ্লে, যার মাধ্যমে গ্রাহকেরা আরও প্রাণবন্ত ছবি উপভোগ করতে পারবেন। এর হাইরেজল্যুশন স্ক্রিন গ্রাহকদের দেবে আরও চমৎকার অভিজ্ঞতা। অপোর নতুন এ সেলফি এক্সপার্ট স্মার্টফোনে হালনাগাদ অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশের বাজারের জন্য ডিভাইসটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।
সম্প্রতি ফিলিপাইনের বাজারে এ স্মার্টফোন ছাড়া হয়েছে। এর সামনে ২০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেন্সর রয়েছে। এইচডি প্লাস ডিসপ্লের ফোনটিতে অক্টাকোর মিডিয়াটেক প্রসেসর, চার জিবি বা ছয় জিবি র্যাম, ৩২ জিবি বা ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, এসডি কার্ড সমর্থন থাকবে।
মানুষ নয়, এবার রোবটকে দেওয়া হল নাগরিকত্ব। আর বিশ্বে প্রথমবারের মতো ঘটলো এ ঘটনা।
নাগরিকত্ব প্রাপ্ত ওই রোবটের নাম সোফিয়া দ্য হিউম্যানয়েড। ওই রোবটটি দেখতে অনেকটাই মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মত। আর নাগরিকত্বদানকারী দেশের নাম সৌদি আরব।
অবাক করার বিষয় হচ্ছে,একটি সাক্ষাৎকারও দিয়েছে সোফিয়া নামের ওই রোবট। তাতে সে বলেছে, পৃথিবীর প্রথম রোবট হিসেবে নাগরিকত্ব পেয়ে সে অত্যন্ত গর্বিত।
সোফিয়া বলেছে, সে মানুষের মধ্যে থেকে কাজকর্ম করতে চায়। তাদের বুঝতে ও বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে চায়। তা ছাড়া মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নেও সে তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগাতে চায়। রোবটের কি নিজের সম্পর্কে ধ্যানধারণা আছে? সোফিয়ার প্রশ্নের মাধ্যমে প্রত্যুত্তর, আপনি যে মানুষ কী করে জানলেন!
সোফিয়ার নির্মাতা হংকংয়ের সংস্থা হ্যানসন রোবোটিক্স।
এদের কাজ মানুষের মত দেখতে রোবট তৈরি। মানুষের মতই যাবতীয় হাবভাব তার। এমনকী রেগে তাকাতে পারে, চাইতে পারে হাসিমুখেও।
যদিও এভাবে রোবটকে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, সৌদি আরব যদি রোবটকে নাগরিকত্ব দিতে পারে, তাহলে ঘরছাড়া রোহিঙ্গা মুসলিমরা কী দোষ করল!
হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের ওয়াই ৬ প্রো মডেলের স্মার্টফোনটিকে বহনযোগ্য চার্জার হিসেবে ব্যবহার করে অন্য কোনো যন্ত্রে চার্জ দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চার হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার শক্তির ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে এই ফোনটিতে।
তারা আরও জানাচ্ছে, ফোনটি চার হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি ও পাওয়ার সেভিং ৩.০ প্রযুক্তির ফলে চার্জ থাকবে দীর্ঘক্ষণ। এছাড়া ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ (৫.১) চালিত পাঁচ ইঞ্চি মাপের এইচডি স্ক্রিন-যুক্ত। ওয়াই ৬ প্রো ফোনটিতে দ্রুত চার্জ দেওয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
পেছনে ১৩ ও সামনে পাঁচ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা সম্বলিত ফোনটি সাড়ে আট মিলিমিটার পুরু। দুই জিবি র্যাম ও ১৬ জিবি রমের এই ফোনের ক্যামেরার অ্যাপারচার ২ দশমিক ২ ও এতে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল রেঞ্জ প্রযুক্তি আছে।
হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের বাংলাদেশ প্রতিনিধি জানান, হুয়াওয়ে বর্তমানে বিশ্বে দ্রুত বিকাশমান অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্র্যান্ড। গবেষণা ও উন্নয়নে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির নতুন সংযোজন এই হুয়াওয়ে ওয়াই ৬ প্রো, যার মূল্য ১৫ হাজার ৯৯০ টাকা। এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা দেবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
Panda Internet Security 2012, + একটিভেশন কোড ১৮০ দিনের জন্য।
আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি তাদের নরমাল এন্টিভাইরাস সেরকম সাপোর্ট দিতে পারে না। তাই সবাই চায় একটু ভাল ইন্টারনেট সিকিউরিটি ব্যবহার করে তার পিসি কে ভাইরাস এবং মেলওয়ার থেকে সুরক্ষিত রাখতে। এই দিক থেকে PandaInternet Security মোটামুটিভাবে জনপ্রিয় ।
ডাউনলোড করুন : এখান থেকে ।
একটিভেশন কোড ১৮০ দিনের জন্য :
IS12PVIP-98464171
অথবা
IS12PVIP-98464172
ধন্যবাদ ।
উইন্ডোজে অনেক সময় ডাবল ক্লিক করে ড্রাইভ খোলা যায় না। সাধারণত Autorun.inf ফাইলটির
কারণে এ সমস্যা হয়ে থাকে। ড্রাইভ থেকে এ ফাইলটিকে ডিলেট করে দিলেই সমস্যা শেষ। এই ফাইলটিকে ডিলেট করার জন্য নীচের কাজগুলো করুন। C: ড্রাইভ থেকে ডিলেট করার জন্য
Start থেকে Run এ গিয়ে টাইপ করুন cmd এবং enter চাপুন
টাইপ করুন cd.. এবং এন্টার চাপুন
আবার টাইপ করুন cd.. এবং এন্টার চাপুন
টাইপ করুন, attrib -r -h -s autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
টাইপ করুন , del autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
D: ড্রাইভ থেকে ডিলেট করার জন্য
Start থেকে Run এ গিয়ে টাইপ করুন cmd এবং enter চাপুন
টাইপ করুন, d: এবং এন্টার চাপুন
টাইপ করুন, attrib -r -h -s autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
টাইপ করুন , del autorun.inf এবং এন্টার চাপুন
সবগুলো ড্রাইভ থেকে এইভাবে autorun.inf ফাইলটি ডিলেট করে কম্পিউটার রিষ্টার্ট দিন। রিষ্টার্ট দেয়ার আগে ড্রাইভে না ঢুকাই ভাল। চলুন এবার দেখি আসলে কমান্ডগুলো দিয়ে কি হচ্ছে- run এ cmd টাইপ করাতে command prompt চালু হয়। এসময় ফোকাস c: ড্রাইভের ইউজার এর ভেতর থাকে। দুইবার cd.. টাইপ করে এন্টার চাপাতে c: ড্রাইভের Root এ প্রবেশ করা হল (মাই কম্পিউটার থেকে কোন ড্রাইভে প্রবেশ করার পর প্রথম যে উইন্ডোটি তাই ড্রাইভের Root । কিন্তু ড্রাইভে প্রবেশ করে অন্য কোন ফোল্ডারে ডাবল ক্লিক করে সেই ফোল্ডারে প্রবেশ করা মাত্র আপনি Root থেকে সরে গেলেন)। attrib দ্বারা attribute বুঝায় যার বাংলা অর্থ গুণ বা ধর্ম। এখানে attrib টাইপ করার পর স্পেস দিয়ে দিয়ে -r -h -s টাইপ করার অর্থ হল আপনি ফাইলটির Read only, Hidden, System এই তিনটি attribute তুলে দিলেন (অনেক সময় এ তিনটি attribute এর সাথে -a ও দেয়া হয় যার দ্বারা archive বুঝায়) । এ ক্ষেত্রে ফাইলটি হল autorun.inf যার এই attribute গুলো তুলে দেয়া হল। del কমান্ড দ্বারা ডিলেট বুঝায়।
ব্রাউজার দিয়ে বাজার জয়ের পর এবার অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতে হাত দিল ফায়ারফক্স। তবে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপের জন্য নয়, 'ফায়ারফক্স ওএস' নামের এ অপারেটিং সিস্টেম শুধু স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যাবে। আগামী বছরের শুরুতে মুক্ত সফটওয়্যার হিসেবে এটি বাজারে আসবে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয় ফায়ারফক্স। স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম বাজারের বড় একটা অংশ অ্যাপলের আইওএস ও গুগলের অ্যানড্রয়েডের দখলে। প্রতিযোগিতার দৌড়ে এদের পেছনে আছে নকিয়ার সিমবিয়ান, রিমের ব্ল্যাকবেরি ওএস ও স্যামসাংয়ের বাডা। এরপর এখানে 'ব্যবসা' খুঁজে পেয়েছেন মোজিলার প্রধান নির্বাহী গেরি কোভাক্স। এত প্রতিযোগীর ভিড়েও ফায়ারফক্স ওএস জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশাবাদী তিনি। কোভাক্স জানান, 'অ্যানড্রয়েডের বিকল্প হিসেবে মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম 'ফায়ারফক্স ওএস নিঃসন্দেহে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।' ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতে সহযোগী হিসেবে থাকছে ডাচ টেলিকম, স্প্রিন্ট, স্মার্ট, টেলিকম ইতালিয়া, টেলিনর ও ইতিসালাতের মতো নামকরা মোবাইল অপারেটর। তবে সবার আগে গ্রাহকদের হাতে এ অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোন তুলে দেবে জেডটিই ও টিসিএল।
অনেক সময় দেখা যায়, পেনড্রাইভে ভাইরাসের আক্রমণের ফলে পেনড্রাইভের ফাইল আর দেখা যায় না। কিন্তু ফাইলগুলো পেনড্রাইভের জায়গা দখল করে রাখে। সেই লুকানো ফাইলগুলো দেখার জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন System Restore-এ ক্লিক করে Turn off System Restore on all drives-এ টিক চিহ্ন দিয়ে ok ক্লিক করুন। নতুন একটি উইন্ডো এলে সেটির yes-এ ক্লিক করুন। এখন My Computer-এর মেনুবারের Tools থেকে Folder options নির্বাচন করে View-তে ক্লিক করুন। এখন Show hidden files and folders-এ টিক চিহ্ন দিন এবং Hide extensions. ও Hide protected.. বক্স থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন দেখবেন পেনড্রাইভে আপনার ফাইল, ফোল্ডারগুলো লুকায়িত (হিডেন) অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। এই পদ্ধতিটি উইন্ডোজ এক্সপির জন্য বলা হয়েছে। পেনড্রাইভে করে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার অন্য কোনো কম্পিউটারে নিতে চাইলে সেগুলো জিপ করে নেবেন। জিপ করা ফাইল বা ফোল্ডারে ভাইরাস আক্রমণ করে না। কোনো ফাইল বা ফোল্ডার জিপ করতে চাইলে সেটিতে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Send to Compressed (Zipped)-এ ক্লিক করুন। দেখবেন জিপ হয়ে গেছে। আবার আনজিপ করতে চাইলে সেটিতে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Extract All-এ ক্লিক করে পরপর দুইবার Next-এ ক্লিক করে দেখবেন আনজিপ হয়ে গেছে।
আপনারা এই ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে যে কোন মোবাইলে ফ্রীতে কল করতে পারবেন।আসুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নেয়।প্রথমে নিচের দেওয়া লিংকে গিয়ে sign up with E-mail এ ক্লিক করলে একটি ফর্ম আসবে সেই ফর্ম টি সঠিক ভাবে পূরন করলে উক্ত ফর্মের মধ্যে উল্লেখিত E-mail এ একটি কনফারমেশন মেইল যাবে ঐ মেইলে ক্লিক করলে আপনার এ্যাকাউন্ট টি কনফার্ম হয়ে যাবে। তারপর আপনার এ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে।আপনার ছবি ও তথ্য সংযুক্ত করতে হবে।তারপর verify মোবাইল নাম্বারে আপনার মোবাইল নাম্বার টি দিলে আপনার নাম্বারে একটি কল আসবে।তারপর কম্পিউটার এর স্ক্রীনে দেখানো কোডটি আপনার মোবাইলে সঠিক ভাবে উচ্চারন করলে আপনার এ্যাকাউন্টটি এ্যাকটিব হয়ে যাবে।সাথে সাথে আপনার এ্যাকাউন্টে .25euro জমা হবে। এই euro দিয়ে বাংলাদেশের যেকোন মোবাইলে কল করলে প্রতি মিনিটে .6 euro করে কাটবে।আর বিদেশের কোন মোবাইলে করলে প্রতি মিনিটে .33euro করে কাটবে।SMS করলে .5euro করে কাটবে বাংলাদেশের ভেতরে।আসুন জেনে নেয় কিভাবে আপনার euro বারাবেন। Euro বারানোর জন্য আপনার লিংক থেকে একজনকে এরকম একটি এ্যাকাউন্ট খুলে দিতে পারলে আপনার এ্যাকাউন্টে .15 euro ও আপনার বন্ধুর এ্যাকাউন্টে .25euro যুক্ত হবে।কল করার জন্য এ্যাকাউন্ট খুলার পর একদিন অপেক্ষা করতে হবে। একদিন আপনার E-mail এ একটি লিংক পাঠাবে।যেখানে লিখা থাকবে এখন থেকে আপনি কল করতে সক্ষম।নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করে এখন থেকেই ফ্রীতে কল ও এস এম এস করা শুরু করি বিশ্বের যে কোন মোবাইলে।
প্রথমে Start এ ক্লিক করুন। তারপর আবার Run এ ক্লিক করুন।এবার আসলে Open এর ঘরে recent লিখে কিবোর্ড থেকে এন্টার অথবা Ok ক্লিক করুন। আর দেখুন আপনার সামনে চার্ট হাজির এখন আপনি দেখতে পারবেন কে আপনার কম্পিউটারে কি দেখছে, কি করেছে।প্রথমে ডেক্সটপ থেকে My Computer অপেন করুন। তারপর Ctrl+H (Ctrl+H মানে Ctrl এ চাপ দিয়ে ধরে রেখে H ) চাপুন।) আর মজা দেখুন আপনার ডান সাইডে সব হিষ্টরি হাজির এখন আপনি যে দিন/সপ্তাহ/মাস এর হিষ্টরি দেখতে চান সেখানে ক্লিক করলেই সব দেখতে পারবেন।
কম্পিউটারে কোন কাজ করার পর রিফ্রেস দেওয়াটা অনেকের কাছে রীতিমত অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে। কারো কারো অভ্যাসটা এত বেশী হয়ে গেছে যে কারণে-অকারণেই অনেকে রিফ্রেস দেন icon smile Computer Refresh করুন হাতের ছোঁয়া ছাড়া । যাই হোক, আমি আজকে আপনাদের একটা ছোট টিপস শেখাব। টিপসটি হল কিভাবে সয়ংক্রিয়ভাবে রিফ্রেস করা যায়। এই কাজটি করার ফলে কম্পিউটার নিজে নিজেই রিফ্রেস করে নেবে। আপনাকে আর কষ্ট করে মাউস দিয়ে রিফ্রেস করতে হবে না। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে:
Start Menu -> Run এ গিয়ে regedit লিখে ok করুন। Registry Editor চালু হবে। HKEY_LOCAL_MACHINE -> SYSTEM -> CurrentControlSet -> Control -> Update এ গিয়ে ডান পাশে লেখা দেখবেন UpdateMode। এটাতে ডাবল ক্লিক করে ডাটা 1 এর পরিবর্তে 0 করে দিন। কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।